October 27, 2020

Independence Day 2015

HomePhoto & Video GalleryIndependence Day 2015

প্রিয় বন্ধুরা, প্রান্তিক উন্নয়ন সোসাইটির ৪৪তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হল অফিস সংলগ্ন পাড়ার পরিবার এবং শিশুদের সাথে। আজকাল আর বিনে পয়সায় জায়গা পাওয়া যায়না। মাঠ বা অডিটরিয়াম ভাড়া করে অনুষ্ঠান আয়োজন করার মুরোদ নেই আমাদের। কিন্তু অত প্রতিকূলতায়ও ইচ্ছে কমে না। এক পর্যায়ে ভাবা হল আমাদের অফিসের ভেতরেই করা হবে আয়োজন। দুটো মাত্র রুম! সহকর্মীরা মুখ ভার করল। কারন আমাদের ২ রুমে স্কুলের বাচ্চা ৫০জন। বাবা/মা’দের বসার জায়গা দেয়ার সুযোগ নেই। পাড়ার গণ্য মান্য ব্যক্তিদের ডাকা হল। তাঁরা আমাদের সাথে স্বাধীনতা দিবসটি যৌথভাবে পালন করতে রাজী হলেন। আমাদের স্কুল থেকে চাঁদা উঠল ৫০০০ টাকা। পাড়ার লোকজন দান করলো ১২০০০ টাকা। রাসেল একাই দিল ম্যাট আর সামিয়ানার টাকা। দিপু দিল সাউন্ড সিস্টেম। কে একজন পাঠিয়েছে সবার জন্য হাতপাখা। অবশেষে অফিসের পাশের বাড়ির একটি ছাদে আয়োজিত হল এই প্রতিযোগিতা। সামিয়ানা টানান হল। সাউন্ড সিস্টেম আনা হল। পতাকা দিয়ে ছাদ সাজান হল। পাড়ার অনেকগুলা ছেলেমেয়ে ভলান্টিয়ার হবার ইচ্ছা প্রকাশ করল। আমরা মহাখুশি। সকাল ১০টায় শুরু হয় চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা। প্রখ্যাত চিত্র শিল্পী কৃষ্ণা চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বিচারক। এর পর আয়োজিত হয় একটি র‍্যালী। ভলান্টিয়ারগন বাচ্চাদের লাইন করে গলিতে দাড়াতে বলল। সামনে ব্যনার আনা হল। বাচ্চারা নিজ থেকেই স্লোগান দিতে লাগলো জয়বাংলা। কেউ একজন রাস্তা থেকে বলল থাক এই স্লোগান দিওনা। কোমলমতি শিশুরা তখন বলতে লাগল হরতাল, হরতাল। আমি অবাক হয়ে রাসেলকে বললাম এটা কেমন হল? খোকন বলল বাবা জয়বাংলাই বল। আমরা বীরদর্পে বড় রাস্তা প্রদক্ষিন করে র‍্যালী শেষ করলাম। বিকাল তিনটায় হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। কিছু ছবি কোনো ক্যাপশন ছাড়াই পোস্ট করা হল।

National anthem

National anthem

Attentive participants

Attentive participants

Very serious one

Very serious one

Moms are standing aside

Moms are standing aside

Singing collectively

Singing collectively

Reciting poem

Reciting poem

Prize dictribution

Prize distribution

Singing collectively

Singing collectively